College Square Book festival

কলেজ স্কোয়ার বইপাড়ায় সাত দিনের বই উৎসব

এইতো সবে মাস দুয়েক হল শেষ হয়েছে ‘বই মেলা’। এর মধ্যেই আবার পয়লা এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে গেল ‘বই উৎসব’। আসলে বইমেলায় বইকে ছাপিয়ে মুখ্য হয়ে ওঠে মানুষ, বইকে কেন্দ্র করে মানুষে মানুষে মিলন, মানুষের পদচিহ্ন। আর বই উৎসবে মুখ্য হয়ে ওঠে বই। বইয়ের সমাদর। কত মানুষ এল গেল সেটা সেখানে মুখ্য নয়। অনেকটা বারোয়ারি পুজো আর মানসিক করা পুজোর মতোই তফাৎ বই মেলা আর বই উৎসবে। প্রথমটা সম্বৎসরের প্রথা উদযাপন, দ্বিতীয়টি নিষ্ঠাপূর্ণ আচার পালন।

মঙ্গলবার পয়লা এপ্রিল, কলকাতার কলেজ স্কয়ারে, বইপাড়ায় বই উৎসব নামে। আয়োজক পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড। সহযোগিতায় কলকাতা পুর নিগম। এই বই উৎসব চলবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত, রোজ বিকেল তিনটা থেকে রাত আটটা।

বই পাড়ায় বই উৎসব প্রথমে শুরু হয়েছিল নববর্ষের বই উৎসব নামে। পরে তা চলে আসে বসন্তকালে, দোলের সময়ে। হয়ে যায় বসন্তের বই উৎসব। এবার হল চৈত্রের মাঝামাঝি, মঙ্গলবার পয়লা এপ্রিল, কলকাতার কলেজ স্কয়ারে, বইপাড়ায় বই উৎসব নামে। আয়োজক পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড। সহযোগিতায় কলকাতা পুর নিগম। এই বই উৎসব চলবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত, রোজ বিকেল তিনটা থেকে রাত আটটা।

মঙ্গলবার বসন্ত সন্ধ্যায় উৎসবের উদ্বোধন করলেন সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি তিনি বললেন, ছোটবেলা থেকেই আমি বই পড়তে ভালোবাসি। আমার বাড়ির লাইব্রেরীতে প্রায় ২০ হাজার বই আছে। বইমেলা আসলে বই পার্বন।

বইপাড়ার বই উৎসবের উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত ছিলেন কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার, শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিনতা রায় চৌধুরী, অমর মিত্র, জয়ন্ত দে, কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধি সুকন্যা দত্ত প্রমুখ।

পাবলিশার্স এন্ড বুক সেলার্স গিল্ড এর সভাপতি ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় মঙ্গলবার বললেন, ২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শে আমরা কলেজটিতে এই বই উৎসব শুরু করি। বিভিন্ন সময়ে নাম বদলেছে। কলকাতার প্রতিষ্ঠিত পুস্তক সংস্থা প্রকাশন সংস্থাগুলি অংশ নিচ্ছে পাঠকরা এখানে ২০ শতাংশের মতো ছাড়ে বই কেনার সুযোগ পাবেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানান পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড এর সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে।