প্রবল তাপে যখন নিঃশ্বাস পুড়ে যায়,
ক্ষিধে যখন নুইয়ে পড়ে ধুলোর বুকে,
একরত্তি শিশু তখন কার অপেক্ষায়?
এই মাটি করুণা ভুলে গেছে সেই কবে;
রোদ লেখে হাড়ে হাড়ে ক্ষিধের অক্ষর,
সেখানে হাসি নেই, শুধু অনন্ত নীরবতা।
ধৈর্যভরে শকুন এক অনন্ত অপেক্ষায়;
লেন্সের পেছনে স্তব্ধ এক হৃদস্পন্দন,
শাটারের ক্লিকে জমে শুধু এক প্রার্থনা।
একটি ফ্রেম ধরে রাখে অসহনীয় দৃশ্য,
মুহূর্ত প্রশ্ন তোলে অসহায় এই পৃথিবীকে
আহার চাই, কিন্তু কে দেবে কাকে?
আমরা দূর থেকে তাকিয়ে থাকি,
নিরাপদ কাচের উদাসীন আড়ালে,
তবু একে সত্য বলে জানি, বলি খবর।
আর ক্লান্ত নিসর্গ ফিসফিসিয়ে বলে —
করুণা যায়নি সেখানে, কাউকে বাঁচাতে;
শিল্প মুক্তি দেয়নি সেই ব্যথা থেকে।
তবু ছবিটি থেকে যায় —আলোয় কালোয় শূন্যতায়,
প্রশ্ন একটাই, কী করণীয় ছিল সভ্যতার
ক্ষিধে যখন একান্তে আহার্যের অপেক্ষায়?

