সম্প্রতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ ভবনের ২১১ নম্বর ঘরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ‘প্রাক্তনী’র অধিবেশন বসেছিল। বিষয় ছিল ‘সার্ধশতবর্ষে শরৎচন্দ্রকে স্মরণ’।। প্রাক্তনী’র দীর্ঘদিনের সভাপতি পিনাকেশ সরকারকে সম্বর্ধিত করা হল অনুষ্ঠানের শুরুতেই ।উত্তরীয়, বই, পেনসেট, মিষ্টিসহ নানান উপহার সামগ্রী তাঁর হাতে তুলে দেয়া হল। সভাপতির পদ অলংকৃত করলেন নিরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।
‘প্রাক্তনী’র সভ্য সভ্যারা এবং আমন্ত্রিত সদস্যরা শরৎচন্দ্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরলেন গানে, কবিতায় এবং কথার মধ্য দিয়ে। যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন অপর্ণা বিশ্বাস, দীপান্বিতা সেন ,যীশু দাস, শিপ্রা মজুমদার, কৃষ্ণপদ দাস, সুস্মিতা দাস ,চকিতা চট্টোপাধ্যায়, বিভাস দে,গোপাল দাস, বরুন দাস, অনীকা মুখার্জি এবং চিত্রা সরকার ও ঐন্দ্রিলা বসু। শেষোক্ত দুজন ঐ দিনেই প্রাক্তনীর নতুন সভ্য হলেন ।
পিনাকেশ সরকার সংবর্ধনার উত্তরে পুরনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করলেন আর শোনালেন রবীন্দ্রনাথের গান “মধুর তোমার শেষ যে না পাই’।
টানা তিন ঘন্টার এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রাক্তনীর বর্তমান সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সঞ্চালনার কাজটি করলেন এবং শেষে শোনালেন শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস'(১৯৩৫) ছবির ‘গোলাপ হয়ে উঠুক ফুটে’ গানটি।

