biman ghosh

শতবর্ষে বিমান ঘোষ

একজন মানুষ আর তার দুটি পরিচয়। একসময় আকাশবাণী কলকাতার কেন্দ্র অধিকর্তা আর পরে গ্রামাফোন কোম্পানির সর্বময় কর্তা। কিন্তু এসবের থেকেও তাঁর বড় পরিচয় হল, তিনি শিল্পীদের আপনজন, বন্ধু আর নবীন শিল্পীদের উৎসাহদাতা। ষাট এবং সত্তরের দশকে বাংলায় হেন সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন না, যাঁরা বিমান ঘোষকে চিনতেন না! তাঁর বন্ধু তালিকায় ছিলেন পণ্ডিত রবিশংঙ্কর, ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সুচিত্রা মিত্র, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, আকাশবাণীর নীলিমা সান্যাল প্রমুখ।

চিরকুমার বিমান ঘোষ ছিলেন একজন সত্যিকারের গুণগ্রাহী মানুষ। খাঁটি জহুরির চোখ ছিল তাঁর, কত নতুন শিল্পীকে যে সঙ্গীতজগতে পরিচিতি দিয়েছেন, তার হিসেব করা কঠিন। বিমান ঘোষের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধেয় শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অফ কালচার এবং টেগোর সোসাইটি অফ কলকাতার উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয়, ‘শিল্পী সারথি বিমান ঘোষ’ শীর্ষক স্বরণিকা।

প্রশাসক ও মানুষ বিমান ঘোষ সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়, শ্রী রঞ্জন মিত্র, বিশ্বজিৎ মতিলাল, অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। কথায় ও গানে বিমান ঘোষকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন স্বপনা ঘোষাল, সুরেন মুখোপাধ্যায়, ড. শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়, নুপুরছন্দা ঘোষ, ইন্দ্রজিৎ মুখোপাধ্যায় এবং অরিজিৎ মৈত্র। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চলনায় ছিলেন সায়ন্তনী গোস্বামী।