সুভাষচন্দ্র ও এমিলি শেঙ্কল

বিদেশ থেকে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার আন্দোলনকে সক্রিয় করার জন্য নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তখন জাপান-জার্মানি ঢুঁড়ে‍ বেড়াচ্ছেন৷ ১৯৩৪ সালে তিনি ভিয়েনায়৷ তাঁর …

প্রথমপাতের স্যুপ

রবিবারে Lunch Party বা মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করার প্রধান কারণ ছিল যে সেটা ছুটির দিন৷ পুরুষরা সেদিন কাজে যেতেন না এবং গৃহিনীরাও সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতে তাস খেলা বা নিজেদের বন্ধুদের নিয়ে স্যান্ডউইচ বা স্টাফড টমেটো জাতীয় হালকা খাবারের Tiffin Party নিয়ে মশগুল থাকতেন না৷

স্বাধীনতার কবিতাগুচ্ছ

স্বাধীনতা প্রীতম কাঞ্জিলাল  স্বাধীন দেশে আমি তুমি,জানো কাদের দানে? বলতে পারো ভেবেচিন্তে,স্বাধীন হওয়ার মানে? স্বাধীন দেশে স্বাধীন তারা,যার পকেটে টাকা- …

চেয়ারের দিন কাল

সরকারি চাকরিতে বদলি এক অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। বদলি যদি মনে রাখার মতো হয়,তার রেশ জীবন জুড়ে রয়ে যায়। অতীন সেই তিরানব্বই …

আকাশ দেখার গল্প

হ্যাঁ, হ্যাঁ, ছেলেবেলা থেকে আমি জানি, সন্ধেবেলা আমার বাবাকে পড়ার টেবিলের পাশে পাওয়া যায় না! খেতে বসার সময় আমার আর ওই অবুঝ প্রতিবন্ধী তোমার বড় ছেলেটার পাশে বাবার পাত পড়ে না। বিছানায় ঘুমের সময় বাবার খোলা বুকে হাত রেখে ঘুমোবার ভাগ্য করে আমরা জন্মাইনি।

বন্ধু বুদ্ধদেব

বুদ্ধদেব জীবনটা ভাগই করে রেখেছিলেন ছোট মাছের ঝোল আর ভাতে, লম্বা সিগারেট আর কাপের পর কাপ চায়ে, প্রিয় পদ্য (পড়ুন জীবনানন্দ), আর প্রিয় গদ্যে (পড়ুন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রিয় কাজ (দল করা) আর প্রিয় নিঃসঙ্গতায়। এই নিঃসঙ্গতাই উনি কাজে লাগাতেন গান শোনায়, এই নিঃসঙ্গতা থেকেই টান পেতেন বন্ধুত্বের।প্রিয় বোদলেয়ারের মতো বলতেই পারতেন, “নেভার অ্যালোন হোয়েন অ্যালোন।” নিঃসঙ্গ নই, যখন নিঃসঙ্গ।

অম্লান কুসুম

সেদিন দিব্যও পরেছিল আগুনরঙা পাঞ্জাবি৷ সকলের অনুরোধে ইন্দু গাইল, ‘মহারাজ এ কী সাজে‍ এলে হৃদয়পুর মাঝে…’