আলোছায়া

একটা সিগারেট ধরাল অমলেশ৷ নীলচে ধোঁয়া ওর মুখের ওপর দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল আস্তে আস্তে৷ একটু বাদে নিজের মনে কথা বলার ভঙ্গিতে বলল, ‘তিনটে দিন ওই দার্শনিকের সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে কেটে গেছে আমাদের৷ সত্যি, স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রতি মুহূর্তে আমরা কী না করি! কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই দুনিয়া থেকে কেউ কিছুই তো নিয়ে যেতে পারব না৷ শুধু তাই নয়, আমরা যে চিরকালের জন্য থাকব না—এই কথাটাই আমরা ভুলে থাকি সব সময়৷

অন্য মা

সাজি সবে সদর দরজায় পা রেখেছে৷ চটির স্ট্র্যাপটা পর্যন্ত লাগানো হয়নি৷ — দুধটুকু খেয়ে যা সাজি৷ — উঃ, কতবার বলেছি …

কাশ্মীর পর্ব ৩

একদিনে দেখে নিলাম সোনমার্গ, এবার যাব গুলমার্গ  এবং ওখানে রাত কাটাবো। এখন থেকে আমরা সঙ্গে সারাক্ষণের জন্য গাড়ি রাখছি যেটা …

Sanibarer Chithi - Dwarakanath

রূপকথার রাজপুত্র: দ্বারকানাথ (পর্ব-১৫,১৬,১৭)

ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট বনাম দ্বারকানাথ জমিদারি পরিচালনায় দ্বারকানাথ ছিলেন সুদক্ষ।দ্বারকানাথের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের লেখক ব্লেয়ার বি ক্লিং লিখেছেন-“To him Zamindari was a …

বাংলা সাহিত্যের উত্তমকুমার সমরেশ বসু

সমরেশ বসুর লেখক জীবনে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অবদান অনস্বীকার্য। তিনি নিজেই তাঁর লেখায় সেকথা স্বীকার করেছেন। “কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসার পরেই আমার চারপাশের জগৎ ও মানুষ সম্পর্কে দৃষ্টি সজাগ হয়। আমার অভিজ্ঞতার প্রসার ঘটে।” কিন্তু এই সময় অকস্মাৎ এক বোমা বিস্ফোরণে ওঁর রাজনৈতিক গুরু সত্যপ্রসন্ন নিহত হন। এই ঘটনা যে পার্টির অন্তঃকলহের ফল, পার্টির মধ্যে ক্ষমতা দখল করার লড়াই, তা তিনি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন। তাই স্থানীয় পার্টি নেতাদের প্রতি তিনি যে শুধু বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন তা নয়, সোচ্চার প্রতিবাদও করেছিলেন।

অজয় নদের কবি কুমুদরঞ্জন

‘শীতের অজয়’ কবিতায় কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক সমব্যথী হয়েছেন, কারন শুকনো অজয়ের আজ জলধারা স্থিমিত। তাঁর কল্পনায় অজয় তো শিশু, যার বিকাশে দরকার মায়ের স্নেহ ভালবাসার পরশ। অনাহারে জীর্ণ অজয়কে দেখে কবির হৃদয় আন্দোলিত হয় কারন অজয় তাঁর প্রানের প্রতিবেশী।