উপনিষদে একটা কথা আছে—‘ক্রুতো স্মর, কৃতং স্মর’ অর্থাৎ কী করার কথা ছিল তা স্মরণ কর এবং কী করা হয়েছে তাও স্মরণ কর। স্বাধীনতার এই আটাত্তর বছর পরে আমাদেরও আজ সেই ফিরে দেখার দিন– কী প্রতিজ্ঞা আমরা শুরু করেছিলুম এবং আজ কোথায় এসে পৌঁছেছি।

উপনিষদে একটা কথা আছে—‘ক্রুতো স্মর, কৃতং স্মর’ অর্থাৎ কী করার কথা ছিল তা স্মরণ কর এবং কী করা হয়েছে তাও স্মরণ কর। স্বাধীনতার এই আটাত্তর বছর পরে আমাদেরও আজ সেই ফিরে দেখার দিন– কী প্রতিজ্ঞা আমরা শুরু করেছিলুম এবং আজ কোথায় এসে পৌঁছেছি।

স্বর্ণকুমারী দেবী সাহিত্য কর্মে নিজের প্রতিভা উজাড় করে দিয়ে যেসব ফসল ফলিয়ে ছিলেন তার মধ্যে একটি কাহিনি নিয়ে ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দীপনির্বাণ’। জাতীয়তাবাদী ভাবনায় অনুপ্রাণিত এই লেখাটিই বাংলা সাহিত্যে কোনো বাঙালি নারী রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস।

এখনও কিছু মানুষ আছে বর্ষায় যাদের বুকের মধ্যে বৃষ্টি ঝরে। বর্ষায় তারা ঘরের মধ্যেই মেঘদূত জমিয়ে তোলে। তাদের মন মেঘের সঙ্গী হয়ে উড়ে চলে কোন সুদূরে যক্ষপুরীর বন্ধগুহায়। যেখানে বন্দি হয়ে রয়েছে কোনও অতীত, গোপন প্রেমের স্মৃতি অবয়ব।মনের ভিজে ক্যানভাসের পুরনো আবছা মুখগুলো কেমন জলছবি হয়ে ফুটে ওঠে।

এ যেন জীবনানন্দের বেলা অবেলা কালবেলার চল্লিশ দশক। শুধু রক্ত আর রক্ত বমিতে শেষ একটা তরুণ প্রজন্ম। শিক্ষার সিঁড়িতে রক্তের দাগ। বোধের মৃত্যু ঘটেছে। ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে রাক্ষসও পরাজিত। শুধু বাহবা পাবার ইচ্ছা। অবক্ষয়ের উন্নয়ন। কেউ থামবে না। কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাই সংঘবদ্ধ বিদ্রোহের ডাক দেন। গণ চেতনার ডাক দেন। বিপ্লবের মধ্যেই উত্থান। দরকারে ছিনিয়ে নিতে হবে নিজেদের অধিকার।

প্রকৃতির বর্ণনার মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণ আমাদের গভীর জীবনদৃষ্টিকেও তুলে ধরেছেন। তবে তাঁর রচনায় নিম্ন মধ্যবিত্ত বাঙালির জীবনচিত্র ও সমকালের আর্থসামাজিক বাস্তবতাও সমভাবে উন্মোচিত হয়েছে। তাই বাংলা কথাসাহিত্যে মানুষের ব্যথার কথা বলে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।

কথায় আছে দেবানুগ্রহ ছাড়া নাকি দেবদর্শন হয় না। তাই বোধ হয় ছোটবেলা থেকে অনেকবার পুরী ভ্রমণ করলেও রথে জগন্নাথ দর্শন …

১৯৫০ সালে রানা শাসকরা চিনের ভয়ে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী হয়, যদিও ১৯৬২ সালে ভারত চিন যুদ্দের পরে সে সম্পর্কের অবনতি হয়৷ এরপর থেকে সম্পর্ক কখনও শীতল, কখনও স্থিতিশীল থেকেছে৷ ১৯৯০ সালে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কৃষ্ণ প্রসাদ ভাট্টাই ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিং চুক্তি স্বাক্ষর করেন৷

আগাগোড়া বিধানবাবুকে ভালো করে দেখলেন কবিরাজ মশাই, বিধানচন্দ্র তখন যন্ত্রণায় ঘামছেন। কবিরাজ মশাই হাঁক পাড়লেন-এক্ষুনি গরম জল আর সাবান চাই।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্ম হিসাবে অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করে যা পরিবেশগত সমস্যাগুলির সমাধানকল্পে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই সংক্রান্ত …

বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র, দুটি নক্ষত্র বাংলার রেনেসাঁসের দুই যুগন্ধর পুরুষ৷ ‘বিদ্যাসাগর’ আসলে সংস্কৃত বিদ্যাবত্তার এক শীর্ষ উপাধি এবং অনেকেই অবশ্য …