দুঃস্বপ্নের মত কাটছে রমার দিনগুলো, বিরাট এক সংশয়ের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছেন, কী করবেন? আকাশ পাতাল ভাবেন। কোনও কূলকিনারা পান না। একবার ভাবেন মুখে যা বলতে পারলেন না, চিঠি লিখে তা জানাবেন, কিন্তু আজও বলা হয়নি চিঠিতে বা মুখে, কিন্তু এ পাপ, এ অন্যায়। শেষ পর্যন্ত রমা সব জানান নীরেনকে, তাঁর অতীত, তাঁর ইতিহাস, তাঁর কলকাতার সবকিছু। নীরেন মন দিয়ে শোনেন। হতবাক হন নীরেন। শোনে রমা বিধবা, রমা মা, তবু নীরেন মেনে নেন রমাকে, তাঁর সব কিছু। নতুন এক সংসারের প্রতিশ্রুতি পান, রমা গিরিডির মেয়ে, স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিয়ে কলকাতার পথে পা বাড়ান, কলকাতায় বড় চাকরি করেন নীরেন, সভ্য, সৎ, শিক্ষিত। অসম্ভব বেপরোয়া। গাড়ি চালান পাগলের মতো, ছুটি ছাটা পেলেই বেরিয়ে পড়েন কলকাতা থেকে অনেক দূরে, যেখানে ভাল শিকার মেলে – জঙ্গলে পাহাড়ে বা নদীর ধারে। যেন একটা ঝড় এই নীরেন। নীরেনের চরিত্রের এই দিকটা রমার সবচেয়ে ভাল লেগেছিল, হয়ত এই জন্যই সাংসারিক খুঁটিনাটির কথা না ভেবে রমাকে মেনে নিতে পেরেছিলেন নীরেন।
বছর পাঁচেক আগে বিয়ের ছয় মাস না যেতেই স্বামী মারা যান। রমা তখন মা হতে চলেছেন। ছেলে হল স্বামীর মৃত্যুর বেশ কিছু পরে। রমা চাইলেন লেখাপড়া শিখবেন, চাকরি করবেন, নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ছেলেকে মানুষ করবেন। শ্বশুর পুরানোপন্থী, তাঁর মতে মেয়েরা থাকবে রান্নাঘরে। রমা কিছুতেই বিষয়টা মেনে নিতে পারেন না। ছেলে বড় হচ্ছে অনাদরে এই বাড়িতেই। ছেলে অর্থাৎ টুটুলের বয়স যখন পাঁচ বছর, তখন রমার জীবনে নীরেনের আবির্ভাব। তাই গিরিডির চাকরি ছেড়ে নতুন সংসার পেতেছেন রমা কলকাতায়। এখানে প্রাচুর্য রয়েছে। কিন্তু রমার ভেতরটা তবু যেন বড় ফাঁকা লাগে। বড় একা, সারাক্ষণ ভয় পায় কী জানি যদি কোন অকল্যাণ হয় ছেলের। নীরেন বোঝেন, রমাকে তিনি তেমন করে পাননি, রমাও নীরেনের মনের কথা বোঝেন। একদিন এক নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে রমা ছেলেকে নিয়ে আসেন এ বাড়িতে। নীরেনের মনঃপূত হয় না, কিন্তু আনাই যখন হয়েছে তখন ফিরিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রমা শাড়ি পরে খানিকটা বিধবার মতো, অর্থাৎ যে শাড়িতে টুটুল অভ্যস্ত। রঙিন শাড়ি পরতে ভরসা হয় না রমার। একদিন রাত্রে, টুটুল ঘুমিয়ে পড়লে চোরের মত রমা এসে ঢোকে নীরেনের ঘরে। নীরেনের পৌরুষ ধাক্কা খায়, মুখে বলেন, ‘ তুমি কি ঋণ শোধ করতে এসেছ ?’ তবু নীরেন আবেগ দিয়ে রমাকে জড়িয়ে ধরেন। হঠাৎ চিৎকার ‘মা’! ছিটকে পড়েন দুজন দুদিকে। টুটুল সব দেখতে পেয়েছে। ধীরে ধীরে সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায় সবারই। হঠাৎ টুটুল বাড়ি থেকে পালায়, তার খোঁজও পাওয়া যায়। এই সব কিছুর জন্য রমা নিজেকেই দায়ী করেন। কী করবেন রমা? এই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে ‘প্রতিনিধি’ উপন্যাসটির মধ্যে, যার রচয়িতা অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত। এহেন আকর্ষণীয় গল্পের চিত্ররূপ দিলেন মৃণাল সেন। ইলোরা প্রোডাকশন-এর ব্যানারে এই ছবিটিতে রমার ভুমিকায় সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় অসাধারণ। একই কথা নীরেনরূপী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে। ছোট্ট টুটুল হয়েছে মাষ্টার প্রসেনজিৎ। অন্যান্য চরিত্রে সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপ কুমার, জহর রায় প্রমুখ শিল্পী। এই ছবিতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় দুটি রবীন্দ্র সঙ্গীত ব্যবহার করেছেন – ‘ অশ্রু নদীর সুদুর পারে‘ এবং ‘মনে হল যেন পেরিয়ে এলেম’। ছবিটি মুক্তি পেল ১৯৬৪ সালের ৩১ শে জানুয়ারী রাধা, পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহ গুলিতে।

অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্তর (১৯-৯-১৯০৩ – ২৯-১-১৯৭৬) জন্ম নোয়াখালিতে। জেলা জজ হয়েছিলেন। ‘কল্লোল‘ পত্রিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। এই নিয়েই তাঁর গ্রন্থ ‘কল্লোল যুগ‘। কবিতা, গল্প, উপন্যাস এমনকি জীবনী গ্রন্থ রচনাতেও তিনি তাঁর প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল ‘বিবাহের চেয়ে বড়,’ ‘প্রাচীর ও প্রান্তর’, ‘বেদে’ , ‘অধিবাস’, ‘অকাল বসন্ত’, ‘সারেৎ’, অমাবস্যা’,‘প্রিয়া ও পৃথিবী’, ‘ নীল আকাশ’ প্রভৃতি । তাঁর লেখা ‘ পরম পুরুষ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ‘ বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ বহুপঠিত গ্রন্থ।
‘প্রতিনিধি’ – র মতো আরেক আকর্ষণীয় গল্প সুকান্ত, কাকলিকে নিয়ে। হঠাৎ একদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিফটের মধ্যে কাকলি সুকান্তের মুখোমুখি পরিচয় ঘটে, কারণ মাঝপথে লিফটটি অনেকক্ষণ বন্ধ ছিল। এরপর মাঝে মাঝেই এদের দেখা, নীড় রচনার স্বপ্ন, সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সুকান্ত। লেখাপড়া জানা মেয়েকে মন থেকে গ্রহণ করতে পারলেন না সুকান্তের মা। পরিবারের অন্যান্যরা – কাকা, কাকিমা এবং বাবা পর্যন্ত সহজভাবে গ্রহন করতে পারলেন না এই রোমান্সকে। কিন্তু এত বিরুদ্ধতা সত্বেও কাকলি – সুকান্তের বিয়ে হল। কাকলির রক্ষণশীল পিতা মাতা মেয়ে জামাইকে আশীর্বাদ ও করলেন না। শুধু সুকান্তর ভাইপো ছোট্ট সেন্টু এত অন্ধকারের আলোর বিন্দুর মতো। এত অবমাননা সত্বেও কাকলি ধৈর্য ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন মুখ ফেরানো মানুষ গুলির মন জয় করতে। সুকান্তের অবস্থা ত্রিশঙ্কুর মতো। না পারছেন মাকে অবহেলা করতে, না পারছেন স্ত্রীকে চটাতে। এমন দিনে আশার বাণী নিয়ে হাজির হলেন সুকান্তর ধনী বন্ধু বরেন। বরেনের ভালো লাগে কাকলিকে, সেইজন্যেই হয়ত চাকরীর প্রস্তাব দিয়ে বসলেন কাকলিকে। সুকান্তর মা কিন্তু খুশি হলেন সংসারের বাড়তি রোজগারের আশায়, খুশি হলেন না সুকান্ত। মাসের মাইনের টাকা সংসারে আসে সামান্যই। নিজের খুশিমত খরচ করেন কাকলি। এই নিয়ে সম্পর্ক তলানিতে এসে থেকে। বাধ্য হয়ে গৃহত্যাগ করে বন্ধু গৃহে চলে যান কাকলি। কাকিমা নেই তাই সেন্টুর মন কিছুতেই ঘরে থাকতে চায় না। দুটি হৃদয়ের সম্পর্কের ব্যবধান কি এই ছোট্ট সেন্টুই ঘুচিয়ে দিতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে অচিন্ত্য কুমারের সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘প্রথম কদম ফুল’ – এর মধ্যে। মৃণাল সেনের সুযোগ্য সহকারী ইন্দর সেন স্বনামে এই প্রথম পরিচালন করলেন ‘প্রথম কদম ফুল’ ছবিটি।

প্রথম ছবিই সুপার হিট , ভূমিকা লিপিও আকর্ষণীয়, সুকান্তের চরিত্রে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, কাকলির চরিত্রে তনুজা, বরেনের চরিত্রে শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, সুকান্তের মা – বাবা ছায়া দেবী ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদা – বৌদি তরুণকুমার সুব্রতা, কাকা – কাকিমা শৈলেন মুখোপাধ্যায়, অনুভা গুপ্তা। অতিথি শিল্পী হিসাবে কাজ করেছেন সমিত ভঞ্জ। সেন্টুর ভূমিকায় মাষ্টার রক্তিম। সুধীন দাসগুপ্তর সুর সংযোজনায় এ ছবির সব গান হিট। ‘কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে‘, ‘ এই শহর থেকে আরো অনেক দূরে’, ‘ আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না’ গানগুলি সময়কে হার মানিয়েছে, ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭০ সালের ২৪ শে জুলাই শ্রী, প্রাচী, ইন্দিরা প্রেক্ষাগৃহে। এ ছবি দর্শক মনকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছিল।

এই ভাবেই আরেক জনপ্রিয় ছবি গড়ে উঠেছে অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্তর কাহিনি থেকে তার নাম ‘ইন্দ্রানী’। নীরেন লাহিড়ীর পরিচালনায় এ ছবির ডাকসাইটে চিত্রনাট্যকার নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়। নাম ভূমিকায় সুচিত্রা সেন, তার প্রেমিক সুদর্শনের চরিত্রে উত্তম কুমার। এঁদের চূড়ান্ত রোমান্স দর্শকদের আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল নচিকেতা ঘোষের সুরারোপিত গানগুলির জন্য। বিশেষ করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, ‘নীড় ছোট ক্ষতি কি আকাশ তো বড়’ ‘ সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ ত’। এ ছবির শিল্পী তালিকাও বেশ জরাল। ছবি বিশ্বাস, পাহাড়ি সান্যাল, চন্দ্রাবতী দেবী, অপর্ণা দেবী, তুলসী চক্রবর্তী, নমিতা সিনহা, গঙ্গাপদ বসু, গীতা বসু, তরুণকুমার, শ্যাম লাহা প্রমুখ। পূজা রিলিজ ছিল ছবিটি। ১৯৫৮ সালের ১০ই অক্টোবর এ ছবি মুক্তি পেল রূপবাণী, অরুণা,ভারতী প্রেক্ষা গৃহে। প্রযোজক হরেন্দ্র নাথ চট্টোপাধ্যায়।

১৯৬২ সালে অচিন্ত্য কুমারের কাহিনি অবলম্বনে যে ছবি গড়ে উঠল তার নাম ‘ডাকাতের হাতে’। ২৬ শে জানুয়ারী এ ছবি মুক্তি পেল রাধা, পুরবী প্রেক্ষা গৃহে। ‘লিটল সিনেমা ফর চিলড্রেন ফিল্ম সোসাইটি’র তরফে এ ছবি নির্মিত। পরিচালক শান্তিপ্রসাদ চৌধুরী। নির্মল চৌধুরীর সুরে এ ছবিতে গান গাইলেন নির্মলেন্দু চৌধুরী। শেখর চট্টোপাধ্যায়, অনুরাধা গুহ, গোবিন্দ চক্রবর্তী, অভিনয় করলেন এ ছবিতে, একেবারেই চলেনি ছবিটি। ১৯৬৩ সালের প্রথম মুক্তি প্রাপ্ত ছবি অচিন্ত্য কুমারের কাহিনি অবলম্বনে ‘অবশেষে’। পরিচালক মৃণাল সেন এর চিত্রনাট্যও লিখলেন। রবীন চট্টোপাধ্যায়ের সুরে প্রণব রায়ের কথায় গানগুলি গেয়েছেন হেমন্ত, সন্ধ্যা, ধনঞ্জয়, প্রতিমা। বিরাট শিল্পী তালিকা এই ছবির। সাবিত্রী, অসিতবরণ, বিকাশ রায়, সুলতা, পাহাড়ি সান্যাল, ছায়া দেবী, অনুপ কুমার, রবি ঘোষ, উৎপল দত্ত, তরুণ কুমার, সুব্রতা এবং মাষ্টার কুনাল। ১১ই জানুয়ারী ছবিটি এল উত্তরা, পুরবী, উজ্জ্বলায়। এই ছবির প্রিন্ট এখন আর নেই। এ ছবি সম্পর্কে বিশেষ উচ্চ বাচ্চা করেন না স্বয়ং পরিচালক।

দুই মহাপুরুষের জীবন নিয়ে বাংলা কাহিনিচিত্র গড়ে উঠেছে অচিন্ত্য কুমারের গল্প থেকেই। প্রথমটি ১৯৬৪ সালে ‘বীরেশ্বর বিবেকানন্দ’ এবং ১৯৬৬ সালে ‘ সুভাষচন্দ্র’। ‘বীরেশ্বর বিবেকানন্দ’ – র পরিচালক মধু বসু, নাম ভূমিকায় অমরেশ দাশ, ঠাকুরের চরিত্রে গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যান্য শিল্পীরা হলেন মলিনা দেবী, বিপিন গুপ্ত, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, প্রমুখ শিল্পীরা। ১৯৬৪ সালের ১লা মে রাধা, পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি এল। ‘সুভাষচন্দ্র’ ছবির মুক্তির দিন ২৪শে, রূপ বাণী, অরুণা, ভারতী প্রেক্ষাগৃহে। অপরেশ লাহিড়ীর সঙ্গীত পরিচালনায় লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া ‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি’ আজও জনপ্রিয় হয়ে আছে। ছোটবেলায় সুভাষচন্দ্র হয়েছিলেন আশিস ঘোষ, বড় বেলায় অমর দত্ত। এছাড়া অভিনয় করেছেন এন. বিশ্বনাথন, রবীন বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ রায় প্রমুখ শিল্পী। অচিন্ত্য কুমারের কাহিনি নিয়ে অকালপ্রয়াত অজয় বিশ্বাসের পরিচালনায় যে ছবিটি তৈরি হল তার নাম ‘প্রথম প্রেম’। এতে অভিনয় করেছেন বিশ্বজিৎ, সন্ধ্যা রায়, প্রদীপকুমার, কণিকা মজুমদার, সুমিতা সান্যাল, লিলি চক্রবর্তী, সন্ধ্যারাণী প্রমুখ শিল্পী। পরিচালকের অনুরোধে এই একটি মাত্র ছবিতে স্বনামে উপস্থিত হয়ে অভিনয় করেছিলেন চুনী গোস্বামী। অমল মুখোপাধ্যায়ের সুরে এ ছবিতে গেয়েছেন হেমন্ত, সন্ধ্যা, আরতি। মুক্তি পেল ২৫ শে ফেব্রুয়ারী (১৯৬৫) বসুশ্রী, বীণা প্রেক্ষাগৃহে।

এই ১৯৬৫ সালেই অচিন্ত্য কুমারের গল্প নিয়ে হরিসাধন দাশগুপ্তের পরিচালনায় মুক্তি পায় ‘একই অঙ্গে এত রূপ’ ছবিটি। সৌমিত্র, মাধবী, বসন্ত তারকায়িত এই ছবিটি সমালোচক মহলে খুবই প্রশংসিত হয়েছিল। মুক্তির দিন ২৪ সে ডিসেম্বর রূপবাণী, অরুণা, ভারতীতে। লেখকের কাহিনির শেষ চিত্ররূপ পাওয়া গিয়েছে দীনেন গুপ্তের হাতে। ছবির নাম ‘সঙ্গিনী’। সৌমিত্র, সুমিত্রা, বসন্ত, কালি, শেখর, ভানু, চিন্ময়, অনুপ, জহর, তপেন, রত্না, দীপিকা, কাজল,শমিতা অভিনয় করেছেন এ ছবিতে।
১৯৭৪ সালের ১৪ই জুন ছবিটি মুক্তি পায় দর্পণা, পুরবী, প্রিয়া প্রেক্ষা গৃহে।
অচিন্ত্য কুমারের আরও কাহিনি পড়ে আছে। সহৃদয় প্রযোজক পরিচালকেরা যদি সচেষ্ট হন অচিন্ত্য কুমারের কাহিনির চিত্ররূপ দিতে, তাহলে আখেরে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বাংলা ছবির জগৎ।

