detective story

পুরনো সম্পর্ক

“আমন্ত্রণ” হোটেলের ম্যানেজার ঘুম থেকে উঠে দেখলেন ঘড়িতে সাড়ে ছ’টা বাজছে,তিনি তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে বসলেন,নিজের মনে মনে বিড়-বিড় করতে করতে বললেন-“ইস!আজ বড্ড দেরী হয়ে গেলো উঠতে”

সাতটার সময় নিজের রুমে চা খেতে খেতে ম্যানেজার বাবু বললেন-“রঞ্জন সব রুমে চা-জলখাবার দেওয়া হয়েছে তো?”

রঞ্জন উত্তর দিলো-“আজ্ঞে,সব রুমেই চা জলখাবার দেওয়া হয়েছে খালি একটা ঘরেই কোন সাড়া পেলাম না!”

ম্যানেজার বাবু বললেন-“হয়তো ঘুমিয়ে গেছে তাই আওয়াজ দেয়নি। তুমি বরং সুতনুকে বল বাজারটা করে আসতে।”

ডি.সি রোডের পাশেই আমন্ত্রণ হোটেলটি অবস্থিত,খুব নামকরা হোটেল এখানে থাকেন,কর্মচারী ও ম্যানেজার বাবুর ব্যবহারও নেহাতই মন্দ নয়। ব্রেকফাস্ট করার পর চা খান ম্যানেজার বাবু,চা এর কাপে চুমুক দিয়ে তিনি রঞ্জনকে জিজ্ঞেস করলেন-“কী গো ওই রুমের কী খবর?”

রঞ্জন উত্তর দিল- “সাড়া দেয়নি আমি আটটা আর পৌনে নটার সময় ডাক দিতে গেছিলাম।”

“এখনো সাড়া মেলেনি!”- ভ্রূকুটি করলেন ম্যানেজার বাবু।
চায়ের কাপ রেখে রঞ্জনকে বললেন-“চলো তো দেখে আসি আরেকবার।”

সিঁড়িতে উঠতে উঠতে রঞ্জন বলল-“কাল রাতে আমি নিজে ডিনার পৌঁছে দিয়ে এসেছিলাম, হঠাৎ করে কী হল লোকটার কে জানে!”

দরজার সামনে এসে কড়া নাড়লেন ম্যানেজার বাবু কিন্তু ভেতর থেকে কোন আওয়াজ এল না!

suspense story

এমন সময় পাশের রুম থেকে এক বৃদ্ধ বেরিয়ে এলো, ম্যানেজার বাবুর উদ্দেশে প্রশ্ন করলেন, “কী হয়েছে?”
…উত্তর শুনে বৃদ্ধ বললেন-”আমার তো কাল রাত থেকে জ্বর তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম,আমার বাপু কিছু জানা নেই!”

রঞ্জন একটু চুপ থেকে বললো-“তা আপনাকে তো আমরা বলিনি যে আপনিই তালা বন্ধ করে রেখেছেন,আপনি নিজেই এত কথা বলছেন কেনো?”

বৃদ্ধ কিছুক্ষণ শঙ্কা-শীর্ণ মুখে তাকিয়ে কাশতে কাশতে নিজের রুমে ঢুকে গেল।

ম্যানেজার বাবু বললেন-“একবার ‘সিং-জি’কে ডাক,মনে হচ্ছে দরজাটা ভাঙতেই হবে এবার..”

সিং জির পুরো নাম ঈশ্বর প্রতাপ সিং,শীর্ণকান্তি অত্যন্ত কর্মকুশল ও চৌকস লোক এই ঈশ্বর প্রতাপ সিং। ম্যানেজার বাবুর কথামতো সে দরজা ভাঙতে যাবে এমন সময় পাশ থেকে রঞ্জন বাধা দিয়ে বলে উঠল-“আচ্ছা,আমাদের দরজা ভাঙাটা কি ঠিক হবে? মানে ভেতরে গিয়ে যদি খারাপ কিছু…”

ম্যানেজারবাবু মাঝপথে থামিয়ে বললেন-“ধুর! কু কেটো না তো!”

সিং দরজা ভাঙতে শুরু করল। দরজা ভাঙার পর প্রথমে ম্যানেজার বাবুই রুমে প্রবেশ করলেন, বেরিয়ে এসে খাটো গলায় বললেন-“রঞ্জন পুলিশকে ডাকো” চাপা উত্তেজনায় তার কণ্ঠস্বর তখন অত্যন্ত কর্কশ হয়ে গিয়েছিল।

মিনিট দশেকের মধ্যেই দু’ ভ্যান পুলিশ এসে হাজির হল আমন্ত্রণ হোটেলের সামনে। সাব ইন্সপেক্টর ম্যানেজার বাবুর উদ্দেশে বললেন-“দেখুন কিছুক্ষণের মধ্যেই কমিশনার স্যার আসবেন তিনিই এই কেসটা হ্যান্ডেল করবেন। সুতরাং তার না আসা পর্যন্ত হোটেলের ভেতরের কেউ বাইরে যেতে পারবে না,আর বাইরের কেউ ভেতরে আসতে পারবে না।”

শুকনো ঝরে যাওয়া পাতার ন্যায় মুখ করে ম্যানেজার বাবু বললেন-“ঠিক আছে।”

ইতিমধ্যে কমিশনারবাবু দু’জন গোয়েন্দাকে নিয়ে হোটেলে প্রবেশ করলেন।সিনিয়র গোয়েন্দার নাম সুতনু চক্রবর্তী আর জুনিয়রের নাম অমল পাল। সুতনু চক্রবর্তী রুমের ভেতরে দরকারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মিনিট পনেরো পরেই বাইরে এলেন,পেছন পেছন বেরোলেন অমল পাল। সুতনুবাবুর চেহারা দেখেই মনে হয় কোনও এক সম্ভ্রান্ত,অভিজাত পরিবারের সন্তান। বয়সও খুব বেশি নয়। ওঁর চোখ দুটি দেখে মনে হবে যেন “শান্ত পাহাড়ের কোলে কোন এক নিরিবিলি ঝিল।”

অমল পালকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি বেশ খাদ্যরসিক মানুষ। হাস্যরসও যে তাঁর মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে মজুত আছে তা বলাই বাহুল্য।

সুতনু চক্রবর্তী ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে গুরুগম্ভীর গলায় বললেন-“যা জানেন বলে ফেলুন।”

সকাল থেকে যা যা হয়েছে ম্যানেজারবাবু সবটা বলে দিলেন।

সব শুনে অমল পাল বলে উঠলেন-“তা আপনি তো বেশ ফ্যাসাদে পরেছেন মশাই। জানেন তো সব রিপোর্ট ঠিকঠাক না এলে আপনার হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে, খায়া পিয়া কুছ নাহি গ্লাস তোরা বারা আনা!”

সুতনু চক্রবর্তী বললেন-“এই ফ্লোরে বাকি যে তিনটি ঘর আছে ওগুলোতে আমি নিজে যাবো, আর অন্যগুলোতে কমিশনার বাবুরা যাবেন।”

এমন সময় পাশ থেকে চিৎকারের আওয়াজ আসছিল…তাঁরা গিয়ে দেখলেন ওই বুড়োটার পাশের ঘরে যে ভদ্রমহিলা আছেন তিনিই চিৎকার করছেন।

সুতনু চক্রবর্তী সেখানে যেতেই মহিলাটি তার উদ্দেশ্যে উন্মক্ত কন্ঠে বলে উঠলেন-“বলি হচ্ছেটা কী ? আমি একজন উকিল, আপনারা আমাকে এখানে এভাবে আটকে রাখতে পারেন না।”

সুতনু চক্রবর্তী বললেন-“দেখুন আমাদের তদন্ত চলাকালীন কিছু রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন ফলো করতে হয় সো প্লিস কো-অপারেট।”

অমল পাল ফিসফিসিয়ে বলে উঠল-“কী উগ্র আর হিংস্র প্রকৃতির মেয়েরে বাবা !”

তাঁরা প্রথমে বৃদ্ধটির রুমে গিয়েছিলেন তারপর সেই অ্যাডভোকেট মহিলাটির ঘরে, তাঁদের সঙ্গে ম্যানেজারবাবু আর রঞ্জন’ও ছিল।সব শেষে তারা গেলেন ওই ফ্লোরের শেষ ঘরটায় ওখানে এক নবদম্পতি থাকছিল। এতক্ষণ যে এতকিছু হল, তাতে এই নবদম্পতিকে একবারের জন্যও দেখা যায়নি!

রুমে টোকা দিতেই এক সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন,অমল পাল বলে উঠলেন-“নমস্কার, আপনারা মি. অ্যান্ড মিসেস রায়?”

মহিলাটি ঠোঁট আলগা করে স্খলিত স্বরে বললেন-“হ্যাঁ বলুন কি দরকার?”

সুতনুবাবু বললেন-“আমরা গোয়েন্দা,আপনাদের কিছু প্রশ্ন করতে চাই।”

ভেতরে গিয়ে সুতনুবাবু আর অমলবাবু বুঝলেন এরা দুজনেই বেশ হাসিখুশি আর নরম অনুভূতি প্রবণ মনের মানুষ। হোটেল স্টাফদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সুতনুবাবু বললেন- “এবার দারোয়ানকে ডাকো।”

সিং জি কিছুক্ষণের মধ্যেই উপস্থিত হয়ে গেলেন। অমল পাল প্রথম প্রশ্ন করলেন জবাবে সিং জি বললেন-“সাব,কাল রাত তক কেউ এই হোটেলে আসেনি,খালি বিকেলে দুজন মরদ আর একজন ঔরত এসেছিলেন, তারাও সন্ধ্যার আগেই ফিরে গেছিলেন।”

সুতনুবাবু অমল পালকে বললেন-“দেখলে অমল, চেহারা যতই স্থূল হোক স্মৃতিশক্তি যে খুব তীক্ষ্ণ তাতে কোন সন্দেহ নেই।”

বিকেলে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এলে অমলবাবু সেটা নিয়ে সুতনু চক্রবর্তীর বাড়িতে এলেন।

রিপোর্ট দেখে সুতনু চক্রবর্তী বলে উঠলেন-“হুম…ঠিক যা আন্দাজ করেছিলাম ওটাই হয়েছে,কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওঁকে খুন করা হয়েছে,আর মৃত্যুর সময় দেখাচ্ছে রাত্রি আটটার পর।”

অমল বাবু বললেন-“আমার কিন্তু দুজনকে খুব সন্দেহ হচ্ছে বস,ওদের ধরে এনে উত্তম মাধ্যম দিলেই সব উত্তর পেয়ে যাবেন।”

“কাদের?”-প্রশ্ন করলেন সুতনু বাবু।

“কাদের আবার এক ওই কর্মচারী রঞ্জন,যে রুমে রুমে খাবার পৌঁছতে যায়। আর দুই ওই উগ্র আর হিংস্র মহিলাটি। এদের আচরণ আমার ঠিক লাগেনি একদম!”-অমল পাল বলল।

সুতনুবাবু কিছু না বলে শুধু ঘাড় নেড়ে গেলেন, কিছুক্ষণ পরে একটা ডায়েরি নিয়ে এসে তিনি অমলকে দিলেন, ডায়েরিতে কিছু ঠিকানা লেখা ছিল যেগুলো সবকটাই কলকাতার মধ্যে…।

অমল পাল জিজ্ঞেস করলো-“এটা কি স্যার?”
“এটা ওই মৃত ব্যক্তিটির ডায়েরি,ওর রুমে তল্লাশি করার সময় পেয়েছি, কালকে আমরা ঐ ঠিকানাগুলোয় গিয়ে খোঁজখবর নেবো,আর কমিশনারকে বলে দিয়েছি হোটেলের ওপর যেন নজর রাখে।”- উত্তর দিলেন সুতনু চক্রবর্তী।

পরের দিন প্রথম তিনটি ঠিকানাতে গিয়ে খালি হাতেই ফিরতে হল এই দুই গোয়েন্দাকে। মৃত ব্যক্তিটির ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে প্রত্যেকেই প্রায় একই কয়েকটি কথা বলেছে।যেমন নাম, বয়স, ঠিকানা, অবিবাহিত, সিগারেট খাওয়ার নেশা ছিল ইত্যাদি ইত্যাদি।
তৃতীয় ঠিকানা থেকে বেরোনোর সময় অমল পালের ফোনে একটা কল আসে,কথা শেষ করে অমল জানায় সেই মহিলা অ্যাডভোকেটটি আবার নাকি ঝামেলা করছে,তার নাকি কাজের অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে,তাকে ছেড়ে দিতেই হবে এইসব বলে চেঁচাচ্ছে।

সুতনুবাবু না শোনার ভান করে এগিয়ে গেলেন।
চতুর্থ ঠিকানায় যে বাড়িটির কথা ছিল সেখানে গিয়ে কলিং বেল বাজাতেই এক মহিলা বাইরে এলেন,বয়স খুব বেশি তিরিশ বা বত্রিশ হবে, ছিমছাম চেহারা সুশ্রী মুখ থেকে এখনও যৌবনের ছাপ পুরোপুরি মুছে যায়নি।

ভেতরে প্রায় আধঘণ্টা কথাবার্তা বলার পর হাসি মুখে বাইরে এলেন সুতনু চক্রবর্তী। তার হাসি দেখে অমল প্রশ্ন করলো-“কি হলো বস্?”

অমলকে উদ্দেশ্য করে সুতনু বাবু বললেন- “আসলে এতক্ষণ ধরে একটা প্রশ্ন আমার মাথায় খুব ঘুরপাক খাচ্ছিল,এতক্ষণে তার উত্তর পেলাম,তুমি হয়তো খেয়াল করোনি যে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় ওই মিসেস রায় একবার মুখ ফসকে বলেছিলেন যে খুন হওয়া ব্যক্তিটি নাকি মোটেও সুবিধের লোক ছিলেন না। পরে আমি যখন তাকে চেপে ধরেছিলাম তখন বিভিন্ন উপায়ে সে ওটা এড়িয়ে গেছিল।তিনি আরও বলেন ওই মহিলার বলা সব কথাগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ঐ কথাটিই আমার মগ্নচৈতন্যে ডুব মেরেছিল।”

“আমি শুধু প্রমাণ খুঁজছিলাম,বার বার আমার মন বলছিল ওই মিসেস রায়ের সঙ্গে নির্ঘাত এই মৃত লোকটির কোন সম্পর্ক ছিল। এখানে ভদ্রমহিলা একজনের নাম বললেন কমলা, যার সঙ্গে লোকটির শত্রুতা ছিল এই কমলা যে মিসেস রায় নন তার কি কোনো গ্যারেন্টি আছে!”

“চলো একবার হোটেলে যেতে হবে,আমার সিক্স সেন্স বলছে কেসের সমস্ত জট এবার খুলে যাবে। জানো হোটেলে যেখানে নাম এন্ট্রি করা হয় সেখানে ওই মিস রায়ের পুরো নামে লেখা ছিল কমলা রায়”।

হোটেল এসেই তারা রায় দম্পতির রুমে এলেন। মিসেস রায় তাদের দেখে হালকা হেসে প্রশ্ন করলেন-“আপনারা আবার?”

অবশ্য ওপর ওপর হাসলেও তার হাসিটি যে নিতান্তই লোক দেখানো তা বোঝাই যাচ্ছিল।

সুতনু বাবু বললেন “খুনটা কেনো করেছেন ম্যাডাম?”

কাঁপা কাঁপা গলায় মহিলাটি বললেন-“কী যা তা বলছেন!”

সুতনুবাবু অমলকে রুমটা দেখার জন্য বললেন। অন্যদিকে মহিলাটির স্বামী তখন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে..

তিনি তখনও কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি।
অমল রুমের তল্লাশি করতে যাবে, এমন সময় মিসেস রায় মরণকামড় দেওয়ার মতো করে ছুটে গিয়ে আলমারি থেকে ছুরিটা বের করে ভয় দেখাতে যাবেন ঠিক তখনই পকেট থেকে বন্দুক বের করে সুতনু বাবু বলে উঠলেন- “হ্যান্ডস আপ,একদম চালাকি করতে যাবেন না”।

অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই জালে পড়ে যাওয়া হরিণের মতো ছটফট করতে করতে সব সত্যি স্বীকার করে নিলেন মিস রায়।

সব শেষে যা জানা যায় তা হল,খুন হওয়া ব্যক্তিটির সঙ্গে আগে এই মহিলাটির সম্পর্ক ছিল,প্রেমের সম্পর্ক।
ওই মৃত ব্যক্তিটির সঙ্গে একবার ঝামেলা হওয়ায় তাদের ব্রেকআপ হয়ে যায়,আর রাগের চোটে সেই ব্যক্তিটি ওই মেয়েটির সঙ্গে তার কিছু ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করত।

তারপর দীর্ঘদিন কেটে গিয়ে ছিল কমলা রায় তার “এক্স”কে খুঁজে চলেছিলেন সকলের অজান্তেই, এরই
মধ্যে তার বিয়েও হয়ে যায়। আর তারা এই হোটেলে এসে ওঠে। ভাগ্যসুপ্রসন্ন থাকায় কমলা এখানে তার এক্সকে এখানে পেয়ে যায়,অথচ তার এক্স সেটা খেয়াল করেননি।মহিলাটি তারপর ঠিক করেন, তিনি একে এখানেই মেরে ফেলবেন। সেই মতই তক্কেতক্কে ছিলেন এতদিন,আর সেদিন রাত্রে রুম খোলা পেতেই তিনি তার সমস্ত রাগ,ক্ষোভ উগরে দেন ব্যক্তিটির ওপর..ছুরি দিয়ে তাকে কুপিয়ে খুন করেন,ব্যক্তিটি ঘুমন্ত অবস্থায় থাকায় সেভাবে বাঁচার চেষ্টাও করেননি।

অমল জিজ্ঞেস করেছিল-“আপনি রুমে প্রবেশ কীভাবে করে ছিলেন, রুম তো লক ছিল।”

মহিলা উত্তর দেন তিনি এক স্টাফকে টাকার লোভ দেখিয়ে ঐ রুমের একটা ডুপ্লিকেট চাবি করিয়ে নিয়েছিলেন,আর এত কিছু হয়েছিল তার স্বামীর অজান্তেই!

bengali detective story

গোয়েন্দা সুতনু চক্রবর্তী সব শেষে বললেন-“ওই স্টাফ আর এই খুনির বিচার এবার আদালতই করবে!”