bengali poem olik

অলীক

ভূত আর ভবিষ্যৎ নিয়ে
খেলা করতে করতে করতে স্থান-কালের দুর্বোধ্য সমাকলে
নিশ্চয়ের আঁধার সুড়ঙ্গে ঝাঁপ দিলে!
আয়নার ভাষা তোমার আয়ত্তে ছিল
জানা ছিল সময়-শলাকা ছুঁলে হাত পুড়ে যায়!
ওলটানো ঘড়ির শাসনে জাদুবাস্তবতা তিরতির করে সপ্তলোকে, মহাতলে
ফ্রেমবন্দি করার কারিগরি বাসনা
সময়ের স্থাপত্য রচনা।
আদমের আপেলের গায়ে ভাঙা দাঁত
পঞ্চম আর কোমল নি’র ভোরে
ওই জবাকুসুমসঙ্কাশ!
কালশিটে চারদিকে থিক থিক করা
ঘৃণা আর অসন্তোষ দেখতে দেখতে
আশ্চর্য প্রদীপের নীচে এত অন্ধকার!
অথচ ধর্মত তুমি অক্লান্ত সৈনিক
জানা ছিল, সর্বোচ্চ বিপর্যয়ের মুখোমুখি
না দাঁড়ালে শিল্পের আত্মপ্রকাশ সম্পূর্ণ হয় না
কবিতার অলীক ভুবন মেলে ধরতে পারে না ঈশ্বরীর ডানা।
জীবনে সময় দিলে মরণ আসে না।
দিকশূন্যপুরে অসীমের চিত্রনাট্য
আপাতত তোমার ঠিকানা!